TablID Cloud POS • QR মেনু আর অর্ডার
কাগজের মেনু কাস্টমারকে বলতে পারে না যে মাছ শেষ হয়ে গেছে।
কাস্টমারের হাতের ফোনেই পরিষ্কার দাম আর ছবি দেওয়া মেনু, সাথে ভেজ বা নন-ভেজের চিহ্ন। হাফ প্লেট না ফুল প্লেট, কাস্টমার নিজেই বেছে নিতে পারেন। কিচেনে কোনো ডিশ শেষ হয়ে গেলে অর্ডার দেওয়ার আগেই ফ্লোরের সব টেবিল সেটা জেনে যায়। আর অর্ডার সেন্ড করা মাত্রই সোজা কিচেনে পৌঁছে যায়।
আপনার প্ল্যানে, বছরে ₹7,000 থেকে শুরু, সব ট্যাক্স মিলিয়ে।
কীভাবে চলে
আপনার কায়দাতেই চলবে, শুধু দুবার লেখার খাটনি নেই।
খাতা পেনে আপনাদের কাজ ঠিকই উঠে যায়। কিন্তু কাগজের আসল দাম চোকাতে হয় যখন একই হিসেব দুবার লিখতে গিয়ে সময় নষ্ট হয়। আর টেবিল থেকে কাউন্টারে পৌঁছনোর মাঝে দু-একটা ডিশের হিসেব ঠিকই ফাঁক গলে বেরিয়ে যায়। সেই গর্তগুলোই শুধু বন্ধ করা দরকার।
- ওয়েটার প্যাডে রাউন্ড লেখেন।
- ওয়েটার নিজের ফোনেই ট্যাপ করে নেন।
- কাউকে কিচেনে স্লিপ দিয়ে আসতে হয়।
- সেন্ড করার সাথে সাথেই কিচেনে পৌঁছে যায়।
- "এই ডিশটা কোন টেবিলের?"
- প্রত্যেকটা ডিশের সাথে টেবিল নম্বর লেখা থাকে।
- কোনও ডিশ শেষ হয়ে গেলে ফ্লোরে খবর পৌঁছয় কাস্টমারের টেবিলে গিয়ে।
- একবার শেষ মার্ক করে দিন, ফ্লোরের সবার ফোনে আপডেট হয়ে যাবে।
- হিসেব মেলাতে হাতে করে বিল দুবার যোগ করতে হয়।
- বিল নিজে থেকেই টোটাল আর GST সমেত প্রিন্ট হয়ে যায়।
- স্টোরে কত মাল পড়ে আছে সেটা আন্দাজে চলে।
- কী পড়ে আছে, তার দাম কত, আর ডিশ থেকে আপনার কত লাভ থাকছে তার হিসেব থাকে।
- আজকের দিনের বিক্রিবাটা কাল সকালে জানা যায়।
- আজকের হিসেব আপনার ফোনে এই মুহূর্তেই দেখতে পাবেন।
- গত মাসের চেনা কাস্টমারদের হিসেব কারও না কারও মাথায় থাকে।
- কে আবার এলেন, কতবার এলেন, কত টাকার খেলেন সব একটা স্ক্রিনে।
রেস্তোরাঁ চালানোর কোনো নিয়ম আপনাকে বদলাতে হবে না।
কাস্টমার নিজের ফোন থেকে অর্ডার দিতে পারেন, অথবা ওয়েটার আগের মতোই অর্ডার নিতে পারেন। কিচেনে স্ক্রিন থাকলে সেখানেই সব দেখা যাবে, আর স্ক্রিন না থাকলে স্লিপ প্রিন্ট হয়ে বেরোবে। পুরোটাই আপনার সুবিধে মতো, আপনি বেছে নেবেন, আর চাইলে পরেও বদলাতে পারবেন।
কিচেনের একটা ট্যাপের কাজ
কিচেনে একটার পর একটা ডিশ তৈরি হতে থাকে। লাস্ট ডিশটা রেডি হয়ে গেলেই কাস্টমারের ফোন আর আপনার ফ্লোরের স্ক্রিনে একাই খবর চলে যায়। অর্ডারটা যে রেডি হয়েছে, সেটা মনে করে আপনার স্টাফদের কাউকেই আর আলাদা করে মার্ক করতে হয় না।
কাস্টমারের ফোন
15-20 মিনিটে রেডি
- 2 × হায়দ্রাবাদি দম বিরিয়ানিলাইনে আছে
- 1 × পনির টিক্কালাইনে আছে
চলতি বিল
₹960
কিচেনের স্ক্রিন
টেবিল 4
11 মিনিট ওয়েটিং
2× হায়দ্রাবাদি দম বিরিয়ানি
লাইনে আছে1× পনির টিক্কা
ঝাল কম
লাইনে আছে
আপনার ফ্লোর
টেবিল 4
কিচেনে আছে
রাউন্ড 2 · ₹960
কিচেনে স্ক্রিন নাকি প্রিন্টেড টিকিট, পছন্দ আপনার।
বাজারে অনেক সফটওয়্যার ধরে নেয় আপনার কিচেনে একটা স্ক্রিন, স্ট্যান্ড আর সেটা টেপার জন্য একজন ফাঁকা লোক বসে আছে। আমরা জানি কাগজে চালানোটাও সমান কাজের, পিছিয়ে থাকা নয়। TablID দুটোতেই চলে, আর এটা শুধু একটা সেটিং — আলাদা কোনো প্রোডাক্ট নয়।
কিচেনে স্ক্রিন থাকলে
ব্রাউজার আছে এমন যে কোনো পুরনো ট্যাবলেট, ল্যাপটপ বা টিভিতে চলবে।
- অর্ডার আসামাত্রই ডিশগুলো পর পর দেখা যাবে, পুরনোটা সবার আগে থাকবে, তাই কোনো অর্ডার চোখের আড়ালে পড়ে থাকবে না।
- প্রত্যেকটা ডিশ আলাদাভাবে টিক মারা যায়, ফলে মেইন কোর্স রান্না হওয়ার আগেই দুটো স্টার্টার রেডি হয়ে গেলে পাঠিয়ে দেওয়া যাবে।
- ইন্টারনেট চলে গেলেও কাজ থামে না, আবার নেট এলে নিজে থেকেই সব আপডেট হয়ে যায়।
- কোনো টিকিট হারানোর ভয় নেই, আর একই ডিশ দু'বার রান্না হওয়ারও সুযোগ নেই।
- কিচেনে কতটা চাপ আছে আর কী অর্ডার হয়েছে তার ওপর ভিত্তি করে কাস্টমারকে একদম সঠিক ওয়েটিং টাইম জানানো যায়।
কিচেনে স্লিপ চললে
থার্মাল প্রিন্টার আর কাগজের স্লিপ।
- অর্ডার নেওয়ার সাথে সাথেই নিজে থেকে স্লিপ বেরিয়ে আসবে, কাউকে প্রিন্ট বাটনে চাপ দিতে হবে না।
- প্রতি অর্ডারে একটাই স্লিপ বেরোবে। তাতে টেবিল, সময়, ডিশ, পরিমাণ আর কাস্টমার আলাদা করে কিছু বলে থাকলে সেটা লেখা থাকবে।
- Bluetooth বা wifi-তে চলে। স্টাফদের অ্যাপ কানেকশন ধরে রাখে তাই বারবার পেয়ার করার ঝামেলা নেই, iPhone আর Android সব ফোনেই সমানভাবে চলবে।
- খাবারের জন্য কিচেনের প্রিন্টার, ড্রিঙ্কসের জন্য বারের প্রিন্টার আর বিলের জন্য কাউন্টারের প্রিন্টার, প্রত্যেকটা আলাদা 58 mm বা 80 mm রোলে চলবে।
- কোনো স্লিপ হারিয়ে গেলে বা রাঁধুনির আবার দরকার পড়লে যে কোনো রাউন্ড আবার প্রিন্ট করে নেওয়া যায়।
KITCHEN
2 × Hyderabadi Dum Biryani
1 × Paneer Tikka
** less spicy
Round 2
অর্ডার নেওয়ার সাথে সাথেই প্রিন্ট হওয়া টিকিট। এতে টেবিল, রাউন্ড আর কাস্টমারের কথা লেখা থাকে।
ডিনারের ভিড় সামলানোই আসল পরীক্ষা।
অর্ডার নেওয়া মাত্রই সবার আগে সেটা ডেটাবেসে গিয়ে জমা হয়। তাই ফোনের সিগন্যাল চলে যাক, ব্রাউজার রিলোড হোক বা ট্যাবলেট বন্ধ হয়ে যাক, কোনো অর্ডার মাঝপথে হারাবে না। কাজের বেলায় এই একটা ব্যাপারে আমরা কোনো আপস করি না।
কাউন্টারে না বসেও সব খবর আপনার কাছে
আপনি বাড়িতে থাকুন বা বাজারে, রেস্টুরেন্টের সব খবর একটা স্ক্রিনে পেয়ে যাবেন। কে কী অর্ডার করল, কোন ডিশ দিতে দেরি হচ্ছে, আর কোন টেবিলে কত বিল বাকি—সব এক জায়গায় দেখা যায়। ফ্লোরের এমাথা থেকে ওমাথা চেঁচামেচি করার দরকার নেই, আর রাতে খাতা মেলাতে গিয়ে মাথা খারাপ করার দিনও শেষ।
প্রতিটা অর্ডার, দাম পাল্টানো বা বিল সেটল করার সময় কে আর কখন কাজটা করল, তার রেকর্ড থেকে যায়। এটা স্টাফদের ওপর পুলিশগিরি করার জন্য নয়। রাতে হিসাব মেলাতে গিয়ে টাকার অঙ্কে গোলমাল লাগলে অন্তত কোথায় খুঁজতে হবে, সেটা আপনি জানতে পারবেন।
আজকের হিসাব
আজ কত টাকা এল, কোন কোন টেবিল চলছে, কতগুলো বিল সেটল হল, আর আজ খাবারে আপনার কত খরচ হল—সব একদম লাইভ। কাল রাতের পুরনো হিসাব নয়, যখনকার খবর তখন।
পুরনো যে কোনো দিন
ক্যালেন্ডার থেকে যে কোনো পুরনো দিন খুলে দেখে নিন। যে কোনো একটা বিল, তাতে কী কী ডিশ ছিল, আর কটার সময় অর্ডার হয়েছিল—সব দেখতে পাবেন। দরকার হলে বিলটা আবার প্রিন্টার থেকে বার করে নিতে পারবেন।
বাঁধা কাস্টমার
ফোন নম্বর দিয়ে পুরনো কাস্টমার চিনে নিন। কে আবার ফিরে আসছেন, কতবার আসছেন, আর কত টাকার বিল করছেন, তার সব হিসাব আপনার কাছে থাকবে।
খাবারের রেটিং
বিল দেওয়ার পর কাস্টমাররা খাবারের রেটিং আর নিজেদের মতামত জানাতে পারবেন। এই লেখাটা সরাসরি আপনি দেখতে পাবেন, ইন্টারনেটের কোনো পাবলিক রিভিউ সাইটে সবার আগে চলে যাবে না।
সঠিক GST বিল
আপনার রেস্টুরেন্ট রেগুলার, কম্পোজিশন বা আনরেজিস্টার্ড যাই হোক না কেন, বিলের লেখা একদম নিয়ম মেনে হবে। প্রতি ফিনান্সিয়াল ইয়ারে বিলের নম্বর পরপর ঠিক থাকবে।
আপনার মেনু, আপনার হাতে
আপনি যেখান থেকেই হোক মেনুতে নতুন ডিশ যোগ করতে পারেন বা দাম পাল্টাতে পারেন। কিচেনে কোনো ডিশ শেষ হয়ে গেলে সেটাও নিজের ফোন থেকে বন্ধ করে দিতে পারবেন। টেবিলে বসা কাস্টমাররা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে সেই নতুন মেনু দেখতে পাবেন।
খোলা থাকার সময়
সপ্তাহে কোন কোন দিন কতক্ষণ রেস্টুরেন্ট খোলা থাকবে তা একবার সেট করে দিন। ওই সময়ের পর মেনু বন্ধ দেখাবে, তাই কিচেন বন্ধ হওয়ার পর ভুল করে কোনো অর্ডার ঢোকার ভয় থাকবে না।
ইন্টারনেটে আপনার নিজের পেজ
আপনার রেস্টুরেন্টের মেনু, ছবি, রাস্তা চেনার ম্যাপ আর খোলা থাকার সময় দিয়ে একটা লিঙ্ক তৈরি হবে, যেখানে ফোন করে মানুষ টেবিল বুক করতে পারবেন। এই লিঙ্ক আপনি WhatsApp-এ বা Instagram-এর বায়োতে দিতে পারবেন। কিছু ছাপানোর দরকার নেই, সবকিছু সবসময় আপডেট থাকবে।
মেশিন কেনার দরকার নেই, ওয়েটারদের ফোনই যথেষ্ট।
ওয়েটাররা নিজেদের ফোন নম্বর দিয়ে নিজেদের ফোনেই কাজ করবেন। কাউন্টারে বিল করার জন্য একটা মেশিনের পিছনে লাইন দেওয়ার দরকার নেই, আর মেশিন হাতবদল হতে হতে হারিয়ে যাওয়ারও ভয় নেই। কাস্টমার অর্ডার দেওয়া মাত্রই সেটা সোজা ওয়েটারের স্ক্রিনে চলে আসবে, আর একবার ট্যাপ করলেই সেই টেবিলটা তাঁর হয়ে যাবে।
এটা iPhone আর Android-এর আসল অ্যাপ, কোনও ওয়েবসাইট নয়। সবাইকে শুধু একটাই স্ক্রিন চালানো শিখতে হবে। অ্যাপ হওয়ার সুবাদেই এটা সারা সন্ধে প্রিন্টারের কানেকশন ধরে রাখতে পারে। দু হাত জোড়া থাকলে ওয়েটার স্ক্রিনে ট্যাপ করার বদলে বাংলা, হিন্দি বা ইংরেজিতে মুখে বলেই রাউন্ড নিতে পারবেন এবং কিচেনে পাঠানোর আগে মিলিয়ে নিতে পারবেন। এর জন্য কাস্টমারকে নিজের ফোনে কিছুই ইনস্টল করতে হবে না।
স্টাফ যোগ করতে লাগে এক মিনিট, আর বাদ দিতে এক সেকেন্ড। শুধু ফোন নম্বর দিয়ে নতুন স্টাফ যোগ করুন। কেউ কাজ ছাড়লে আপনি নিজের ফোন থেকেই তাঁর অ্যাক্সেস বন্ধ করে দিতে পারবেন। কাগজে পাসওয়ার্ড লিখে রাখার কোনও ঝামেলা নেই, আর কারও থেকে মেশিন ফেরত নেওয়ারও চিন্তা নেই।
একটা অর্ডার, টেবিল থেকে বিল পর্যন্ত
- 1
কাস্টমার কার্ড স্ক্যান করেন
ফোনের ক্যামেরা দিয়ে QR স্ক্যান করলেই মেনু খুলে যায়। কাস্টমারকে কোনো অ্যাপ ইনস্টল করতে হয় না, লগ-ইন করারও দরকার নেই।
- 2
কাস্টমার অর্ডার দেন, বা ওয়েটার নেন
যে কাস্টমার নিজে অর্ডার করতে চান না, তিনি ওয়েটারকে বলতে পারেন। ওয়েটার নিজের ফোনে সেই অর্ডার তুলে নেন, আর দুটো অর্ডারই একই জায়গায় গিয়ে পৌঁছায়।
- 3
কিচেন সাথে সাথে অর্ডার পেয়ে যায়
ডিশ অনুযায়ী কিচেন স্ক্রিনে অর্ডার ফুটে ওঠে, অথবা অর্ডার অ্যাকসেপ্ট করার সাথে সাথেই কিচেন প্রিন্টারে স্লিপ বেরিয়ে আসে।
- 4
বিল নিজে থেকেই তৈরি হয়ে যায়
রাউন্ডের পর রাউন্ড অর্ডার যোগ হয়ে GST সমেত বিল প্রিন্ট হয়ে যায়। কাস্টমার সরাসরি আপনার রেস্তোরাঁর UPI-তে পেমেন্ট করে দেন।
কাস্টমার কী দেখেন
প্রতিটা ডিশের ছবি
মেনুতে প্লেটে সাজানো পরিষ্কার ছবি থাকে। এর জন্য কোনো ফটোগ্রাফার বা শ্যুট লাগে না, আপনি যেকোনো সময় নিজের তোলা ছবি বসিয়ে নিতে পারেন।
হাফ প্লেট না ফুল
কাস্টমার নিজেই পরিমাণ বেছে নিতে পারেন, প্রতিটা ডিশের পাশে পরিষ্কার দাম আর ভেজ বা নন-ভেজ চিহ্ন দেওয়া থাকে।
সার্চ আর ক্যাটেগরি
পুরো মেনু ক্যাটেগরি অনুযায়ী সাজানো থাকে, আর কেউ কোনো ডিশ খুঁজে না পেলে সার্চ করে নিতে পারেন।
যেকোনো ডিশের সাথে নোট
"পেঁয়াজ ছাড়া" লেখার মতো নোট অর্ডারের সাথেই কিচেনে যায়, রাঁধুনিরা কাস্টমারের নিজের কথাতেই সেটা পড়তে পারেন।
শেষ মানেই শেষ
কিচেনে কোনো ডিশ শেষ হয়ে গেলে একবার মার্ক করে দিলেই ফ্লোরের সব ফোনে মেনু আপডেট হয়ে যায়। এরপর আর কেউ সেই ডিশ অর্ডার করতে পারেন না।
রাউন্ড অনুযায়ী বিল
কাস্টমার রাউন্ড অনুযায়ী নিজের চলতি বিল ফোনে দেখতে পান, আর শেষে একটা সঠিক GST বিল পান।
কাস্টমারের ভাষায় মেনু
একবার খরচ করে পুরো মেনুতে বাংলা বা হিন্দি যোগ করে নিতে পারেন, কাস্টমার নিজের পছন্দ মতো ভাষা বেছে নিতে পারেন।
কোনো কমিশন নেই
পেমেন্টের টাকা আমাদের হাত ঘুরে আসে না, তাই কোনো কমিশন কাটার বা সেটেলমেন্টের জন্য অপেক্ষা করার ব্যাপার নেই।
আপনার কী কী লাগবে
- আপনার কাছে আগে থেকেই আছে এমন যেকোনো একটা Android ফোন।
- রেস্তোরাঁর wifi, বা ওই ফোনে ইন্টারনেট ডেটা।
- আপনার কাগজের মেনু, যাতে আমরা সেটা সিস্টেমে তুলে নিতে পারি।
- আপনার ওয়েটারদের ফোন নম্বর।
পরিষ্কার কথা
- আমার কাস্টমারদের কি কিছু ডাউনলোড করতে হবে?
- না। ফোনের ক্যামেরা দিয়ে QR স্ক্যান করলেই স্ক্রিনে মেনু খুলে যায় আর সেখান থেকেই অর্ডার করা যায়। কোনো অ্যাপ ইনস্টল করতে হয় না বা লগ-ইন করতে হয় না। আর কোনো কাস্টমার যদি ওয়েটারকে দিয়ে অর্ডার করাতে চান, তিনিও আগের মতোই সেটা করতে পারেন।
- কিচেনে কি স্ক্রিন বসানো বাধ্যতামূলক?
- না। অর্ডার অ্যাকসেপ্ট করার সাথে সাথেই Bluetooth বা রেস্তোরাঁর wifi দিয়ে থার্মাল প্রিন্টার থেকে নিজে নিজেই টিকিট বেরিয়ে আসে। আপনার রাঁধুনিরা এখনকার মতোই কাগজের স্লিপ দেখে রান্না করতে পারবেন। কিচেন স্ক্রিন একটা অপশন মাত্র, এটা বসানো বাধ্যতামূলক নয়।
- নেটওয়ার্ক চলে গেলে অর্ডারের কী হবে?
- আপনার অর্ডার পুরোপুরি সুরক্ষিত থাকে। অন্য যেকোনো কাজের আগে অর্ডারটা আমাদের ডেটাবেসে সেভ হয়ে যায়। নেটওয়ার্ক চলে গেলেও কিচেন স্ক্রিন চলতে থাকে আর কানেকশন ফিরলেই বাকি অর্ডারগুলো নিয়ে নেয়। কোনো টিকিট হারিয়ে যায় না, আবার একটা ডিশ দু'বারও সার্ভ হয় না।
- TablID কি প্রতিটা অর্ডারের থেকে কোনো কমিশন কাটে?
- না। ডাইন-ইন অর্ডারের জন্য TablID কোনো কমিশন নেয় না। কাস্টমার সরাসরি রেস্তোরাঁর নিজস্ব UPI-তে পেমেন্ট করেন। কোনো কমিশন কাটার ব্যাপার নেই, আর সেটেলমেন্টের জন্য বসে থাকতেও হয় না।
এক মাস চালিয়ে দেখুন, শুরুতে এক পয়সাও লাগবে না
আপনার মেনু সিস্টেমে তুলে দেওয়া আর টেবিলের কার্ড প্রিন্ট করার দায়িত্ব আমাদের। একদিন রাতের ডিনার সার্ভিসে আমরা আপনার ফ্লোরে বসে থাকব। যদি দেখেন কাজ সামলাতে কোনো সুবিধা হচ্ছে না, আপনাকে কোনো টাকা দিতে হবে না, আপনি আগের মতোই কাগজের প্যাডে কাজ চালাবেন।