TablID
Englishআমাদের সাথে কথা বলুন

রেস্তোরাঁ, বার আর হোটেলের মোবাইল POS

পকেটের ফোনেই চলবে পুরো রেস্তোরাঁ।

অর্ডার প্যাড, কিচেনে হাঁকাহাঁকি আর বিল বইয়ের দিন শেষ। আপনার ছাপানো মেনুর একটা ছবি তুলে দিন — AI নিজেই ডিশ, দাম, প্রতিটার ছবি, এমনকি কীসে কী লাগে, সব সাজিয়ে দেবে। সবটাই চলবে আপনার আর আপনার ওয়েটারদের হাতের Android ফোনে। আলাদা করে কোনও কম্পিউটার কিনতে হবে না, ভাড়ায় কোনও মেশিনও নিতে হবে না।

  • সব ট্যাক্স মিলিয়ে বছরে ₹7,000
  • অর্ডারে কোনও কমিশন নেই
  • প্রথম মাস ফ্রি
কীভাবে কাজ করে দেখে নিন

আমরা এখন আমাদের প্রথম রেস্তোরাঁগুলোতে সিস্টেম বসাচ্ছি।

  1. 1কাস্টমার QR স্ক্যান করলেন
  2. 2টেবিল থেকে অর্ডার দিলেন
  3. 3কিচেনে টিকিট চলে গেল
  4. 4আপনি সব টেবিল দেখছেন
  5. 5টাকা বুঝে বিল সেটল

চার রকমের জায়গা, অ্যাপ একটাই

রেস্তোরাঁর হাত ধরে এর কাজ শুরু। কিন্তু বাকিগুলো কোনোভাবে জোড়াতালি দিয়ে বানানো নয়। আপনি যখন প্রথমবার অ্যাপ খুলবেন, তখন ও নিজেই জানতে চাইবে আপনার ঠিক কীসের ব্যবসা। আর সেই অনুযায়ী অ্যাপের ভেতরের কথাবার্তাও নিজে থেকেই বদলে যাবে।

রেস্তোরাঁ

এখানে টেবিল আর রাউন্ডের হিসেব থাকে। কিচেনে একটা স্ক্রিন বা প্রিন্টার থেকে বেরোনো স্লিপ। কাস্টমার নিজের চোখের সামনে তার চলতি বিল দেখতে পাবেন। আর খাওয়া শেষে একটা পাকা GST বিল।

বার

পেগ হিসেবে বিক্রি হোক বা সিল করা গোটা বোতল, বোতলের গায়ে লেখা MRP ধরেই হিসেব হবে। ড্রিংকসের অর্ডার সোজা বারের নিজস্ব প্রিন্টারে চলে যাবে, কিচেনের লাইনে আটকে থাকবে না। আর মদের বিল তার নিজস্ব ট্যাক্সের নিয়মে হবে।

হোটেল

টেবিলের সঙ্গেই ফ্লোরের স্ক্রিনে হোটেলের রুমগুলোও দেখা যাবে। কাস্টমার চেক-ইন করান। রুম সার্ভিসের অর্ডার সেই রুমের খাতেই লেখা হবে। আর শেষে পুরো হিসেবটা এমন একটা ফাইলে বেরিয়ে আসবে যা আপনাদের নিজস্ব সিস্টেমেও পড়ে নেওয়া যায়।

টেকঅ্যাওয়ে কাউন্টার

এখানে টেবিলের কোনো ব্যাপার নেই। সোজা কাউন্টারে অর্ডার নেওয়া হবে, একই ভাবে কিচেনে স্লিপ বেরোবে, আর বিল সেটল করার নিয়মটাও পুরোপুরি এক।

এক ছাদের তলায় দুটো ব্যবসা, কিন্তু অ্যাকাউন্ট একটাই

হোটেলের ভেতরে বার থাকুক বা রেস্তোরাঁর সামনের দিকে টেকঅ্যাওয়ে কাউন্টার, এর জন্য দুটো আলাদা অ্যাকাউন্ট করতে হবে না। মেনু একটাই, কিচেন একটাই, আর দিনের শেষে বিক্রির হিসেবও একটাই হবে।

আপনার কায়দাতেই চলবে, শুধু দুবার লেখার খাটনি নেই।

খাতা পেনে আপনাদের কাজ ঠিকই উঠে যায়। কিন্তু কাগজের আসল দাম চোকাতে হয় যখন একই হিসেব দুবার লিখতে গিয়ে সময় নষ্ট হয়। আর টেবিল থেকে কাউন্টারে পৌঁছনোর মাঝে দু-একটা ডিশের হিসেব ঠিকই ফাঁক গলে বেরিয়ে যায়। সেই গর্তগুলোই শুধু বন্ধ করা দরকার।

ওয়েটার প্যাডে রাউন্ড লেখেন।
ওয়েটার নিজের ফোনেই ট্যাপ করে নেন।
কাউকে কিচেনে স্লিপ দিয়ে আসতে হয়।
সেন্ড করার সাথে সাথেই কিচেনে পৌঁছে যায়।
"এই ডিশটা কোন টেবিলের?"
প্রত্যেকটা ডিশের সাথে টেবিল নম্বর লেখা থাকে।
কোনও ডিশ শেষ হয়ে গেলে ফ্লোরে খবর পৌঁছয় কাস্টমারের টেবিলে গিয়ে।
একবার শেষ মার্ক করে দিন, ফ্লোরের সবার ফোনে আপডেট হয়ে যাবে।
হিসেব মেলাতে হাতে করে বিল দুবার যোগ করতে হয়।
বিল নিজে থেকেই টোটাল আর GST সমেত প্রিন্ট হয়ে যায়।
স্টোরে কত মাল পড়ে আছে সেটা আন্দাজে চলে।
কী পড়ে আছে, তার দাম কত, আর ডিশ থেকে আপনার কত লাভ থাকছে তার হিসেব থাকে।
আজকের দিনের বিক্রিবাটা কাল সকালে জানা যায়।
আজকের হিসেব আপনার ফোনে এই মুহূর্তেই দেখতে পাবেন।
গত মাসের চেনা কাস্টমারদের হিসেব কারও না কারও মাথায় থাকে।
কে আবার এলেন, কতবার এলেন, কত টাকার খেলেন সব একটা স্ক্রিনে।

রেস্তোরাঁ চালানোর কোনো নিয়ম আপনাকে বদলাতে হবে না।

কাস্টমার নিজের ফোন থেকে অর্ডার দিতে পারেন, অথবা ওয়েটার আগের মতোই অর্ডার নিতে পারেন। কিচেনে স্ক্রিন থাকলে সেখানেই সব দেখা যাবে, আর স্ক্রিন না থাকলে স্লিপ প্রিন্ট হয়ে বেরোবে। পুরোটাই আপনার সুবিধে মতো, আপনি বেছে নেবেন, আর চাইলে পরেও বদলাতে পারবেন।

মাছ শেষ হয়ে গেলে কাগজের মেনু কাস্টমারকে সেটা বলতে পারে না

এই মেনুতে প্রত্যেকটা ডিশের ছবি, পরিষ্কার দাম আর ভেজ বা নন-ভেজ মার্ক দেওয়া থাকে। কাস্টমার নিজেই ঠিক করেন হাফ নেবেন না ফুল প্লেট। আর কিচেন থেকে কোনো ডিশ শেষ হয়ে গেলে সেটা স্ক্রিনে গ্রে হয়ে যায়, আর কেউ অর্ডার করতে পারে না। কাস্টমার অর্ডার দেওয়ার আগেই সব টেবিল জেনে যায় যে জিনিসটা শেষ।

Spice Route

টেবিল 4

  • হায়দ্রাবাদি দম বিরিয়ানি

    ₹340

  • পনির টিক্কা

    ₹280

  • মশলা দোসা

    ₹160

  • গোলাপ জামুন

    ₹120

কিচেনের একটা ট্যাপের কাজ

কিচেনে একটার পর একটা ডিশ তৈরি হতে থাকে। লাস্ট ডিশটা রেডি হয়ে গেলেই কাস্টমারের ফোন আর আপনার ফ্লোরের স্ক্রিনে একাই খবর চলে যায়। অর্ডারটা যে রেডি হয়েছে, সেটা মনে করে আপনার স্টাফদের কাউকেই আর আলাদা করে মার্ক করতে হয় না।

কাস্টমারের ফোন

15-20 মিনিটে রেডি

  • 2 × হায়দ্রাবাদি দম বিরিয়ানিলাইনে আছে
  • 1 × পনির টিক্কালাইনে আছে

চলতি বিল

₹960

কিচেনের স্ক্রিন

টেবিল 4

11 মিনিট ওয়েটিং

  • 2× হায়দ্রাবাদি দম বিরিয়ানি

    লাইনে আছে
  • 1× পনির টিক্কা

    ঝাল কম

    লাইনে আছে

আপনার ফ্লোর

টেবিল 4

কিচেনে আছে

রাউন্ড 2 · ₹960

কিচেনে স্ক্রিন নাকি প্রিন্টেড টিকিট, পছন্দ আপনার।

বাজারে অনেক সফটওয়্যার ধরে নেয় আপনার কিচেনে একটা স্ক্রিন, স্ট্যান্ড আর সেটা টেপার জন্য একজন ফাঁকা লোক বসে আছে। আমরা জানি কাগজে চালানোটাও সমান কাজের, পিছিয়ে থাকা নয়। TablID দুটোতেই চলে, আর এটা শুধু একটা সেটিং — আলাদা কোনো প্রোডাক্ট নয়।

কিচেনে স্ক্রিন থাকলে

ব্রাউজার আছে এমন যে কোনো পুরনো ট্যাবলেট, ল্যাপটপ বা টিভিতে চলবে।

  • অর্ডার আসামাত্রই ডিশগুলো পর পর দেখা যাবে, পুরনোটা সবার আগে থাকবে, তাই কোনো অর্ডার চোখের আড়ালে পড়ে থাকবে না।
  • প্রত্যেকটা ডিশ আলাদাভাবে টিক মারা যায়, ফলে মেইন কোর্স রান্না হওয়ার আগেই দুটো স্টার্টার রেডি হয়ে গেলে পাঠিয়ে দেওয়া যাবে।
  • ইন্টারনেট চলে গেলেও কাজ থামে না, আবার নেট এলে নিজে থেকেই সব আপডেট হয়ে যায়।
  • কোনো টিকিট হারানোর ভয় নেই, আর একই ডিশ দু'বার রান্না হওয়ারও সুযোগ নেই।
  • কিচেনে কতটা চাপ আছে আর কী অর্ডার হয়েছে তার ওপর ভিত্তি করে কাস্টমারকে একদম সঠিক ওয়েটিং টাইম জানানো যায়।

কিচেনে স্লিপ চললে

থার্মাল প্রিন্টার আর কাগজের স্লিপ।

  • অর্ডার নেওয়ার সাথে সাথেই নিজে থেকে স্লিপ বেরিয়ে আসবে, কাউকে প্রিন্ট বাটনে চাপ দিতে হবে না।
  • প্রতি অর্ডারে একটাই স্লিপ বেরোবে। তাতে টেবিল, সময়, ডিশ, পরিমাণ আর কাস্টমার আলাদা করে কিছু বলে থাকলে সেটা লেখা থাকবে।
  • Bluetooth বা wifi-তে চলে। স্টাফদের অ্যাপ কানেকশন ধরে রাখে তাই বারবার পেয়ার করার ঝামেলা নেই, iPhone আর Android সব ফোনেই সমানভাবে চলবে।
  • খাবারের জন্য কিচেনের প্রিন্টার, ড্রিঙ্কসের জন্য বারের প্রিন্টার আর বিলের জন্য কাউন্টারের প্রিন্টার, প্রত্যেকটা আলাদা 58 mm বা 80 mm রোলে চলবে।
  • কোনো স্লিপ হারিয়ে গেলে বা রাঁধুনির আবার দরকার পড়লে যে কোনো রাউন্ড আবার প্রিন্ট করে নেওয়া যায়।

KITCHEN

Table 48:42 pm
  • 2 × Hyderabadi Dum Biryani

  • 1 × Paneer Tikka

    ** less spicy

Round 2

অর্ডার নেওয়ার সাথে সাথেই প্রিন্ট হওয়া টিকিট। এতে টেবিল, রাউন্ড আর কাস্টমারের কথা লেখা থাকে।

ডিনারের ভিড় সামলানোই আসল পরীক্ষা।

অর্ডার নেওয়া মাত্রই সবার আগে সেটা ডেটাবেসে গিয়ে জমা হয়। তাই ফোনের সিগন্যাল চলে যাক, ব্রাউজার রিলোড হোক বা ট্যাবলেট বন্ধ হয়ে যাক, কোনো অর্ডার মাঝপথে হারাবে না। কাজের বেলায় এই একটা ব্যাপারে আমরা কোনো আপস করি না।

মেশিন কেনার দরকার নেই, ওয়েটারদের ফোনই যথেষ্ট।

ওয়েটাররা নিজেদের ফোন নম্বর দিয়ে নিজেদের ফোনেই কাজ করবেন। কাউন্টারে বিল করার জন্য একটা মেশিনের পিছনে লাইন দেওয়ার দরকার নেই, আর মেশিন হাতবদল হতে হতে হারিয়ে যাওয়ারও ভয় নেই। কাস্টমার অর্ডার দেওয়া মাত্রই সেটা সোজা ওয়েটারের স্ক্রিনে চলে আসবে, আর একবার ট্যাপ করলেই সেই টেবিলটা তাঁর হয়ে যাবে।

যখন আপনি একাই সব
অনেক সময় মালিক, ওয়েটার আর ক্যাশিয়ার একই মানুষ হন। সে ক্ষেত্রেও ওই একটা স্ক্রিনেই আপনার সব কাজ হয়ে যাবে।
যখন কয়েকজন ওয়েটার আছেন
কাস্টমার বসলে টেবিলগুলো নিজেদের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়, অথবা কোনও ওয়েটার নিজেই একটা টেবিল বেছে নিতে পারেন। ফ্লোরের পুরো ছবিটা সব ওয়েটারই নিজের ফোনে দেখতে পাবেন।
ব্যস্ত ফ্লোর আর একজন ক্যাপ্টেন
একজন সিনিয়র ওয়েটার ক্যাপ্টেনের স্ক্রিন দেখতে পাবেন। তিনি চাইলে একটা টেবিল এক ওয়েটারের থেকে অন্য ওয়েটারকে দিতে পারেন এবং দিনের শেষে পুরো টিমের মোট হিসেবটাও দেখতে পাবেন।
যখন ম্যানেজার সব দেখাশোনা করেন
রোজকার মেনু, টেবিল, স্টাফ আর বিল সেটল করার সব কাজ ম্যানেজার নিজের মতো সামলাতে পারবেন। কিন্তু আসল অ্যাকাউন্টটা সবসময় মালিকের হাতেই থাকবে।
কিচেন
কিচেনের স্টাফরা শুধু কিচেনের অর্ডারই দেখতে পাবেন। তাঁদের স্ক্রিনে বাড়তি এমন কিছু থাকবে না যা তাঁরা ভুল করে ঘেঁটে ফেলতে পারেন।
কাউন্টার আর টেকওয়ে
সব অর্ডারের জন্য তো আর টেবিল লাগে না। টেকওয়ে অর্ডারও একই ভাবে কিচেনে যায় আর প্রিন্টার থেকে একই স্লিপ বেরোয়।

এটা iPhone আর Android-এর আসল অ্যাপ, কোনও ওয়েবসাইট নয়। সবাইকে শুধু একটাই স্ক্রিন চালানো শিখতে হবে। অ্যাপ হওয়ার সুবাদেই এটা সারা সন্ধে প্রিন্টারের কানেকশন ধরে রাখতে পারে। দু হাত জোড়া থাকলে ওয়েটার স্ক্রিনে ট্যাপ করার বদলে বাংলা, হিন্দি বা ইংরেজিতে মুখে বলেই রাউন্ড নিতে পারবেন এবং কিচেনে পাঠানোর আগে মিলিয়ে নিতে পারবেন। এর জন্য কাস্টমারকে নিজের ফোনে কিছুই ইনস্টল করতে হবে না।

স্টাফ যোগ করতে লাগে এক মিনিট, আর বাদ দিতে এক সেকেন্ড। শুধু ফোন নম্বর দিয়ে নতুন স্টাফ যোগ করুন। কেউ কাজ ছাড়লে আপনি নিজের ফোন থেকেই তাঁর অ্যাক্সেস বন্ধ করে দিতে পারবেন। কাগজে পাসওয়ার্ড লিখে রাখার কোনও ঝামেলা নেই, আর কারও থেকে মেশিন ফেরত নেওয়ারও চিন্তা নেই।

কাউন্টারে না বসেও সব খবর আপনার কাছে

আপনি বাড়িতে থাকুন বা বাজারে, রেস্টুরেন্টের সব খবর একটা স্ক্রিনে পেয়ে যাবেন। কে কী অর্ডার করল, কোন ডিশ দিতে দেরি হচ্ছে, আর কোন টেবিলে কত বিল বাকি—সব এক জায়গায় দেখা যায়। ফ্লোরের এমাথা থেকে ওমাথা চেঁচামেচি করার দরকার নেই, আর রাতে খাতা মেলাতে গিয়ে মাথা খারাপ করার দিনও শেষ।

Spice Route · আজ

আজকের অর্ডার

38

আজকের বিক্রি

₹24,680

গ্রাউন্ড ফ্লোর · 6টি টেবিল

টেবিল 1

ফাঁকা

টেবিল 2

অর্ডার দিচ্ছে

রাউন্ড 1

টেবিল 3

রান্না হচ্ছে · 6 মিনিট

রাউন্ড 1 · ₹480

টেবিল 4

টেবিলে দেওয়ার জন্য রেডি

রাউন্ড 2 · ₹960

টেবিল 5

ফাঁকা

টেবিল 6

সেটেলের অপেক্ষায়

₹1,240

টেরেস · 2টি টেবিল

টেরেস 1

রান্না হচ্ছে · 11 মিনিট

রাউন্ড 1 · ₹720

টেরেস 2

ফাঁকা

আজকের হিসাব

আজ কত টাকা এল, কোন কোন টেবিল চলছে, কতগুলো বিল সেটল হল, আর আজ খাবারে আপনার কত খরচ হল—সব একদম লাইভ। কাল রাতের পুরনো হিসাব নয়, যখনকার খবর তখন।

পুরনো যে কোনো দিন

ক্যালেন্ডার থেকে যে কোনো পুরনো দিন খুলে দেখে নিন। যে কোনো একটা বিল, তাতে কী কী ডিশ ছিল, আর কটার সময় অর্ডার হয়েছিল—সব দেখতে পাবেন। দরকার হলে বিলটা আবার প্রিন্টার থেকে বার করে নিতে পারবেন।

বাঁধা কাস্টমার

ফোন নম্বর দিয়ে পুরনো কাস্টমার চিনে নিন। কে আবার ফিরে আসছেন, কতবার আসছেন, আর কত টাকার বিল করছেন, তার সব হিসাব আপনার কাছে থাকবে।

খাবারের রেটিং

বিল দেওয়ার পর কাস্টমাররা খাবারের রেটিং আর নিজেদের মতামত জানাতে পারবেন। এই লেখাটা সরাসরি আপনি দেখতে পাবেন, ইন্টারনেটের কোনো পাবলিক রিভিউ সাইটে সবার আগে চলে যাবে না।

সঠিক GST বিল

আপনার রেস্টুরেন্ট রেগুলার, কম্পোজিশন বা আনরেজিস্টার্ড যাই হোক না কেন, বিলের লেখা একদম নিয়ম মেনে হবে। প্রতি ফিনান্সিয়াল ইয়ারে বিলের নম্বর পরপর ঠিক থাকবে।

আপনার মেনু, আপনার হাতে

আপনি যেখান থেকেই হোক মেনুতে নতুন ডিশ যোগ করতে পারেন বা দাম পাল্টাতে পারেন। কিচেনে কোনো ডিশ শেষ হয়ে গেলে সেটাও নিজের ফোন থেকে বন্ধ করে দিতে পারবেন। টেবিলে বসা কাস্টমাররা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে সেই নতুন মেনু দেখতে পাবেন।

খোলা থাকার সময়

সপ্তাহে কোন কোন দিন কতক্ষণ রেস্টুরেন্ট খোলা থাকবে তা একবার সেট করে দিন। ওই সময়ের পর মেনু বন্ধ দেখাবে, তাই কিচেন বন্ধ হওয়ার পর ভুল করে কোনো অর্ডার ঢোকার ভয় থাকবে না।

ইন্টারনেটে আপনার নিজের পেজ

আপনার রেস্টুরেন্টের মেনু, ছবি, রাস্তা চেনার ম্যাপ আর খোলা থাকার সময় দিয়ে একটা লিঙ্ক তৈরি হবে, যেখানে ফোন করে মানুষ টেবিল বুক করতে পারবেন। এই লিঙ্ক আপনি WhatsApp-এ বা Instagram-এর বায়োতে দিতে পারবেন। কিছু ছাপানোর দরকার নেই, সবকিছু সবসময় আপডেট থাকবে।

প্রতিটা অর্ডার, দাম পাল্টানো বা বিল সেটল করার সময় কে আর কখন কাজটা করল, তার রেকর্ড থেকে যায়। এটা স্টাফদের ওপর পুলিশগিরি করার জন্য নয়। রাতে হিসাব মেলাতে গিয়ে টাকার অঙ্কে গোলমাল লাগলে অন্তত কোথায় খুঁজতে হবে, সেটা আপনি জানতে পারবেন।

সারাদিনে কত বিক্রি হলো, জানেন। কত খরচ হলো, সেটা জানেন কি?

খাতার হিসাবে শুধু বোঝা যায় যে সারাদিনে কত টাকা এল, কিন্তু কিচেনে ঠিক কত টাকার মাল খরচ হলো তা খাতায় থাকে না। অথচ আপনার আসল ব্যবসাই হলো এই দুইয়ের ফারাক। খরচের হিসাব রাখার পুরো ব্যাপারটা এখানে একটা সুইচের মতো। আপনি যতদিন না চাইবেন, এটা অফ থাকবে।

এক একটা ডিশ বানাতে কত খরচ

প্রতিটা ডিশ তৈরি করার একটা রেসিপি দেওয়া থাকে, আর সেই রেসিপিতে লেখা থাকে কোন মালের কেনা দাম কত। বাজারে তেলের দাম বাড়লে, যে যে ডিশে তেল লাগে তার সবকটার খরচ নিজে থেকেই নতুন করে ঠিক হয়ে যাবে।

সারা সপ্তাহের খরচের হিসাব

কিচেনে সারা সপ্তাহে কত টাকার মাল খরচ হলো আর তার বদলে কত টাকার ডিশ বিক্রি হলো, তার পুরো রিপোর্ট আপনি পাবেন। মেনুতে থাকা কোন ডিশগুলো আপনার ব্যবসার আসল লাভ এনে দিচ্ছে, সেটাও এখানে পরিষ্কার দেখা যাবে।

মুখে বলে হিসাব রাখুন

রাত এগারোটার সময় কাউন্টারে বসে টাইপ করতে কারো ভালো লাগে না। তাই শুধু বোতাম চেপে মুখে বলুন, "চিকেন সাড়ে ছয় কিলো"। বাংলা, হিন্দি বা ইংরেজি, আপনি যে ভাষাতেই বলুন না কেন, সিস্টেম ঠিক বুঝে নেবে।

সাপ্লায়ারের বিলের ছবি

বাজার থেকে মাল আসার পর শুধু সাপ্লায়ারের বিলের একটা ছবি তুলে নিন। সিস্টেম নিজে থেকেই বিলের লাইন পড়ে আপনাকে হিসাব দেখাবে। যদি কোথাও ভুল পড়ে থাকে, আপনি সেটা ঠিক করে দিলেই স্টকে মাল যোগ হয়ে যাবে।

কত টাকার মাল নষ্ট হলো

কোনো মাল নষ্ট হলে বা ফেলে দিতে হলে তার কারণ আর টাকার অঙ্কটা লিখে রাখা যায়। কোন জিনিসে আপনার সবচেয়ে বেশি টাকা নষ্ট হচ্ছে, সেটা লিস্টের একেবারে ওপরে দেখাবে।

স্টকে কী কী কমে আসছে

কাস্টমার বসার পর নয়, বরং সার্ভিস শুরু হওয়ার আগেই স্ক্রিনে দেখা যাবে কোন কোন মাল শেষ হয়ে আসছে। আর কোনো জিনিস পুরোপুরি শেষ হয়ে গেলে, সেটা দিয়ে বানানো ডিশ নিজে থেকেই মেনু থেকে বাদ হয়ে যাবে।

বারের হিসাবে বোতল আর পেগ

বারের হিসাব তো আর কিলোতে হয় না। এখানে তাকের ওপর থাকা মালের সঙ্গে কতগুলো পেগ ঢালা হলো আর কতগুলো বোতল বিক্রি হলো, তার হিসাব রাখা যায়। কোন সাইজের বোতল বা পেগ চলছে, তা আগে থেকেই ঠিক করা থাকে।

আসল গরমিলটা কোথায়

স্টকে থাকা মাল, কিচেনে হওয়া রান্না আর কাউন্টার থেকে হওয়া বিক্রি—এই তিনটে হিসাব যখন মেলে না, সিস্টেম তখন কাউকে দোষ না দিয়ে সোজাসুজি টাকার অঙ্কে জানিয়ে দেয় যে ঠিক কত টাকার মালের হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না।

প্রথম দিন থেকেই এই হিসাব করার দরকার নেই

শুরুতে শুধু মেনু আর কিচেনের কাজ দিয়েই ব্যবসা চালান। পরে যেদিন স্টকের হিসাব শুরু করবেন, তখন আপনাকে আলাদা করে মালের লিস্ট টাইপ করতে হবে না, সিস্টেম আপনার নিজের মেনু থেকেই সেটা বুঝে নেবে। এক সপ্তাহ ধরে এই লিস্ট টাইপ করার ঝামেলার জন্যই বেশিরভাগ রেস্তোরাঁয় কোনোদিন এই মালের হিসাব রাখা হয় না।

খাতা ছাড়ার প্রধান বাধা টাইপিং, তাই কাজটা AI করবে

আমরা ঠিক সেখানেই AI কাজে লাগাই, যেখানে আপনার হাতের খাটনি বাঁচে। এর বাইরে কোনো চ্যাটবট বা প্রম্পট লেখার গল্প নেই। এটি মূলত নিচের এই পাঁচটি কাজ করতে পারে।

  1. আপনার ছাপানো মেনু পড়ে নেয়

    মেনু কার্ডের ছবি তুলে দিন। এটি নিজে থেকে ডিশের নাম, দাম, হাফ না ফুল, ভেজ না নন-ভেজ সব আলাদা করে নেবে। বারের ক্ষেত্রে কোনটা কী মদ এবং কোথায় তৈরি, সেটাও ধরে নেবে।

  2. প্রতিটি ডিশের ছবি তৈরি করে

    কোনো ফটোগ্রাফার বা ফটোশুট লাগবে না, সিস্টেম প্রতিটি ডিশের পরিষ্কার ছবি নিজে থেকে বানিয়ে নেবে। আপনি চাইলে যেকোনো সময় নিজের তোলা ছবিও বসিয়ে দিতে পারেন।

  3. রেসিপি ও স্টক হিসেব করে

    ওই একই মেনু থেকে এটি বুঝে নেবে কোন ডিশ বানাতে কী কী মালমশলা লাগে এবং স্টকে কী রাখা দরকার। চেনা ডিশ না হলে আপনাকে জিজ্ঞেস করার আগে সে নিজে থেকে একটু ঘেঁটে দেখে নেবে।

  4. আপনার নিজের মুখের কথা বোঝে

    দোকান বন্ধ করার সময় স্টকের হিসেব হোক বা ফ্লোরের রাউন্ড, আপনি বাংলা, হিন্দি বা ইংরেজিতে মুখে বলতে পারেন। আপনার কথা শুনে সেটি রেস্তোরাঁর নিজের লিস্টের সাথে মিলিয়ে নেবে এবং কিছু লেখার আগে আপনাকে পড়ে শোনাবে।

  5. সাপ্লায়ারের বিল পড়তে পারে

    বাজার থেকে মাল আসার পর বিলের একটা ছবি তুলে দিন। এটি নিজে থেকে পরিমাণ আর দাম অনুযায়ী স্টকের হিসেব সাজিয়ে দেবে, আপনি শুধু একবার মিলিয়ে নেবেন।

ও সাজিয়ে দেবে, সই আপনার

আপনি হ্যাঁ না বলা পর্যন্ত সিস্টেম নিজের থেকে কোথাও কিছু পাকাপাকিভাবে লেখে না—তা সে দাম হোক, রেসিপি হোক বা স্টকের হিসেব। এটি আপনার একজন চটপটে অ্যাসিস্ট্যান্টের মতো ফর্মটা ভর্তি করে দেয়, কিন্তু সইটা আপনাকেই করতে হয়। আপনার রেস্তোরাঁর কোনো তথ্য বিক্রি করা হয় না এবং আমাদের কোনো AI-কে শেখানোর কাজেও লাগানো হয় না।

কী কী পাবেন

নীচের প্রত্যেকটা জিনিস কিন্তু শুধু প্ল্যান নয়, আমাদের সফটওয়্যারে কাজ করছে।

কাস্টমারদের জন্য

  • ছবিওয়ালা মেনু, ক্যাটেগরি আর সার্চ সমেত
  • ভেজ আর নন-ভেজ মার্ক
  • হাফ, ফুল বা যে কোনো সাইজ
  • ডিশের নোটে 'নো অনিয়ন' বা 'লেস স্পাইসি'
  • সোল্ড আউট হলে স্ক্রিন থেকে গায়েব
  • যে কোনো সময় রানিং বিল দেখার সুবিধা
  • কোনো অ্যাপ, অ্যাকাউন্ট বা পাসওয়ার্ড লাগে না
  • বাংলা বা হিন্দিতে মেনু পড়ার অপশন
  • WhatsApp বা Instagram-এ শেয়ার করার জন্য পাবলিক মেনু পেজ
  • টেবিল বুক করার জন্য ওই পেজেই ফোন নম্বর

ফ্লোরের জন্য

  • একটাই লাইভ স্ক্রিনে সব কটা টেবিল
  • অটোমেটিক বা হাতে বেছে টেবিল দেওয়া
  • কতগুলো সিট আর কতজনের পার্টি
  • পার্টিকে অন্য টেবিলে সরিয়ে দেওয়া
  • কাউন্টার আর টেকঅ্যাওয়ে অর্ডার
  • কাস্টমার মুখে বললে নিজের হাতে অর্ডার তুলে নেওয়া
  • সারাদিনের সব অর্ডার আর বিলের হিস্ট্রি
  • খাওয়া শেষ হলে কাস্টমারের ফিডব্যাক

কিচেনের জন্য

  • লাইভ কিচেন স্ক্রিনে পুরোনো অর্ডার আগে
  • এক এক করে ডিশ টিক করার অপশন
  • নেটওয়ার্ক ড্রপ করলেও কোনো ডেটা হারায় না
  • Bluetooth বা wifi-তে থার্মাল প্রিন্টিং
  • অ্যাক্সেপ্ট করলেই নিজে থেকে প্রিন্ট
  • যে কোনো রাউন্ড আবার প্রিন্ট করা
  • বারের জন্য তিন নম্বর প্রিন্টার, যাতে খাবারের পিছনে ড্রিংকস আটকে না থাকে
  • বাকিগুলোতে হাত না দিয়ে শুধু একটা ডিশ ক্যানসেল করা

স্টকের জন্য

  • আপনার মেনু দেখেই আপনার কাউন্টিং লিস্ট
  • প্রতিটা ডিশের রেসিপি ড্রাফট করে দেওয়া
  • কোন ডিশের কত খরচ আর কত লাভ
  • এক সপ্তাহের ফুড কস্ট আর কোন ডিশগুলো মেনুকে টানছে তার হিসেব
  • তিনটে ভাষায় মুখে গুনে বলার সুবিধা
  • সাপ্লায়ারের বিল টাইপ না করে ছবি তুলে রাখা
  • টাকার অঙ্কে আর কারণ সমেত ওয়েসটেজ
  • সার্ভিসের সময় নয়, তার আগেই লো স্টকের অ্যালার্ট
  • মালমশলা শেষ হলে নিজে থেকেই সোল্ড আউট
  • আপনার দরকার না হওয়া পর্যন্ত পুরোটা বন্ধ রাখার অপশন

বারের জন্য

  • পেগ বা পুরো বোতলের হিসেবে
  • সিল করা বোতলের ওপর MRP
  • খাবারের বিলের সাথেই লিকারের আলাদা রেটে বিল
  • ড্রিংকস সোজা বারের নিজস্ব প্রিন্টারে
  • ড্রিংক ঢাললেই কাজ শেষ, কিচেনের মতো টিক করার স্টেপ নেই
  • কিলোর বদলে বোতলে গুনে শেলফ মেলানো
  • শিডিউল করা হ্যাপি আওয়ার

হোটেলের জন্য

  • টেবিলের ফ্লোর স্ক্রিনেই রুমের হিসেব
  • কাস্টমার চেক ইন করিয়ে রুমের সাথে জুড়ে দেওয়া
  • ওই রুমের ফোলিওতে রুম সার্ভিস
  • স্টের শেষে একটা ফাইল যা আপনার প্রপার্টি সিস্টেমে পড়া যায়
  • চেকআউটের সময় নয়, কিচেন বন্ধ সেটা মেনুতেই বলে দেওয়া
  • বার সহ হোটেল চালালেও একটাই অ্যাকাউন্ট

টাকাপয়সার জন্য

  • কোনো অর্ডারে কখনো কোনো কমিশন নেই
  • রেগুলার, কম্পোজিশন বা আনরেজিস্টার্ড GST ইনভয়েস
  • CGST/SGST ভাগ করে পর পর ইনভয়েস নম্বর
  • এক বিলে একের বেশি ট্যাক্স রেট, ডিশ অনুযায়ী নাম দেওয়া
  • শিডিউল করা হ্যাপি আওয়ারে ডিশ আর সাইজ অনুযায়ী দাম
  • এক ইনভয়েস রেখে কাস্টমারদের মধ্যে বিল ভাগ, সাথে সবার আলাদা স্লিপ
  • আপনার নিজের সার্ভিস বা প্যাকিং চার্জ
  • ডিসকাউন্ট
  • নিজের অ্যাকাউন্টে UPI বা কাউন্টারে ক্যাশ
  • একবার সেটল হয়ে গেলে বিল ফ্রিজ

আপনার জন্য

  • মালিক, ম্যানেজার, ওয়েটার আর কিচেন সবার আলাদা ভিউ
  • ফোন নম্বর দিয়ে সাইন ইন, পাসওয়ার্ডের ঝামেলা নেই
  • স্টাফদের ইনভাইট করা আর রিমুভ করা
  • iPhone আর Android-এ স্টাফদের জন্য আসল অ্যাপ
  • অর্ডার ঢুকলেই অ্যালার্ট
  • টেবিল পিছু একটাই কার্ড, একবার প্রিন্ট করলে বছরের পর বছর চলে
  • টেবিল কার্ডে আপনার লোগো
  • এক অ্যাকাউন্টে দুটো ব্রাঞ্চ

আপনার দরকারি কিছু এই লিস্টে নেই?

আমাদের জিজ্ঞেস করে নিন। অনেক কিছুই বানানো আছে যা এই একটা পেজে ধরে নি। আর যদি সত্যিই সেই জিনিসটা না থাকে, তবে মিথ্যে প্রতিশ্রুতি না দিয়ে আমরা সরাসরি সেটা বলে দিই।

আপনার কাগজের মেনুটা আনুন, আমাদের আর কিছু লাগবে না।

খাতা-পেন ছেড়ে নতুন সিস্টেমে যাওয়ার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হলো মেনুর 400 ডিশ একটা একটা করে টাইপ করা। ওই এক সপ্তাহের খাটনির ভয়েই অনেক রেস্টুরেন্ট আর কাগজের খাতা ছাড়তে পারে না। আমরা ওই টাইপ করার ঝক্কিটাই পুরোপুরি বাদ দিয়ে দিয়েছি।

  1. 1

    মেনুর ছবি তুলুন

    আপনার ছাপানো বা লেমিনেট করা মেনু কার্ডের একটা ছবি তুলুন। সিস্টেম নিজে থেকেই সেকশন, ডিশের নাম, দাম, হাফ-ফুল আর ভেজ মার্কিং সব পড়ে নেবে। আপনি শুধু একবার চোখ বুলিয়ে মিলিয়ে নেবেন। এক কাপ চা খেতে যেটুকু সময় লাগে, তার মধ্যেই এক সপ্তাহের টাইপ করার কাজ শেষ।

  2. 2

    সব ডিশের একটা করে ছবি

    মেনুর প্রত্যেকটা ডিশের জন্য সুন্দর সাজানো ছবি সিস্টেমই তৈরি করে দেবে। এর জন্য আলাদা করে কোনো ফটোগ্রাফার ডাকতে হবে না। পরে যখন খুশি আপনি নিজের তোলা ছবি দিয়ে এগুলো বদলে নিতে পারেন।

  3. 3

    টেবিলে টেবিলে কার্ড

    অ্যাপ থেকে প্রিন্ট করে ফ্লোরের প্রতিটা টেবিলের জন্য একটা করে QR কার্ড লাগিয়ে দিন। এই কোড আর কোনোদিন বদলাবে না। পরের বছর যদি মেনু, দাম বা কিচেন পুরোপুরি বদলে ফেলেন, তাহলেও ওই একই কার্ডে কাজ চলবে।

  4. 4

    স্টাফরা লগ-ইন করবেন

    আপনি শুধু ওয়েটার আর ম্যানেজারদের ফোন নম্বর অ্যাড করে দিন। তারা নিজেদের ফোনে অ্যাপ নামিয়ে মেসেজে আসা কোড দিয়ে লগ-ইন করে নেবে। আলাদা করে কোনো কিছু সেটিং করার ঝামেলা নেই।

  5. 5

    কাজ শুরু করুন

    প্রথম এক মাস কোনো টাকা লাগবে না। এটা কোনো ডেমো নয়, সত্যিকারের কাস্টমারদের অর্ডার নিয়ে পুরো সিস্টেমটা চালিয়ে দেখুন। আমরা কী কথা দিলাম তার ওপর ভরসা করতে হবে না, নিজের ফ্লোরে কাজ দেখে তবেই সিদ্ধান্ত নেবেন।

আর পরের মাসে যদি নতুন 3টে ডিশ মেনুতে ঢোকাতে হয়?

আপনি নিজেই এক মিনিটে সেটা করে নিতে পারবেন। কাউকে ফোন করে বসে থাকতে হবে না, আর এর জন্য কোনো বাড়তি টাকাও লাগবে না।

আমরা মোবাইল POS। মেশিন কিনতে হয় এমন ক্লাউড POS নই।

বাকিদের সিস্টেম শুরু হয় আপনার কাউন্টারে একটা আস্ত কম্পিউটার বসিয়ে। আর আমরা শুরু করি আপনার পকেটে থাকা ফোনটা দিয়ে।

বড় ক্লাউড POS-এর সাথে ফারাক

Petpooja আর বাকিরা
ওদের যা লাগে
  • কাউন্টারে একটা আলাদা কম্পিউটার, সাথে SSD আর UPS।
  • বিল করার জন্য কাউন্টারে একজনকে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।
  • QR অর্ডারিং আর কিচেন স্ক্রিনের জন্য আলাদা টাকা দিতে হয়।
  • দাম কোথাও লেখা থাকে না, সেলস কলের পরে জানতে হয়।
আমাদের যা লাগে
  • আপনার নিজের Android ফোনটাই যথেষ্ট।
  • ফ্লোরের যেকোনো জায়গা থেকে বা বাড়ি বসেও বিল করতে পারবেন।
  • QR অর্ডারিং, কিচেন স্ক্রিন আর প্রিন্টিং এর সাথেই থাকে, আলাদা মডিউল নয়।
  • দাম এই পেজের একটু নিচেই লেখা আছে।

বিলিং মেশিনের সাথে ফারাক

EZO আর ওই ধরনের মেশিন
ওরা যা দেয়
  • প্রিন্টারের সাথে থাকা একটা বিলিং অ্যাপ, যা মুদিখানা, হার্ডওয়্যার, কাপড়ের দোকান থেকে রেস্তোরাঁ—সব জায়গায় বিক্রি হয়।
  • এটা শুধু বিল করে আর তাকের মালপত্র গোনে। যে দোকান কেনা জিনিসটাই বেচে, তাদের জন্য এটা ঠিক আছে।
  • এটা জানে না টেবিল, ওয়েটার বা কিচেন জিনিসটা কী।
  • কাস্টমার এর ধারেকাছেও থাকে না।
আমরা যা দিই
  • শুধুমাত্র রেস্তোরাঁর জন্যই বানানো।
  • টেবিল, রাউন্ড, ওয়েটার, কিচেন, কাস্টমার, ফিডব্যাক আর বিল—সবকিছু একটা সিস্টেমের মধ্যে।
  • বিল হলো পুরো কাজের একেবারে শেষের ধাপ, এটাই একমাত্র কাজ নয়।
  • আপনার কাস্টমার টেবিলে বসেই এর অর্ধেকটা নিজের হাতে ব্যবহার করেন।
  • কিচেন কেনা জিনিসটা রান্না করে। আমরা রেসিপির খরচের হিসেব রাখি, যাতে আপনি বুঝতে পারেন একটা ডিশ থেকে আপনার কত লাভ থাকছে।

আর এগ্রিগেটরদের সাথে ফারাক একটাই সংখ্যা: জিরো।

কোনও অর্ডারে কখনও কোনও কমিশন লাগে না। কাস্টমার সোজা কাউন্টারে বা আপনার নিজের অ্যাকাউন্টে UPI করে টাকা মেটান। আপনার বিক্রির পুরো টাকাটাই আপনার থাকে। আমাদের শুধু নিচের ওই দামটুকুই দিতে হবে, এর বাইরে এক পয়সাও নয়।

বিলের পুরো টাকাটাই আপনার।

ডেলিভারি অ্যাপগুলো প্রতিটা অর্ডারে কমিশন কাটে। কিন্তু আপনার নিজের ফ্লোরের অর্ডারে TablID এক পয়সাও নেবে না। কাস্টমার সরাসরি আপনার নিজস্ব UPI স্ক্যান করে বিল মেটান। টাকা যেহেতু আমাদের হাত ঘুরে আসে না, তাই কমিশন কাটার কোনো জায়গাই নেই। আর টাকা সেটল হওয়ার জন্য আপনাকে বসেও থাকতে হবে না।

একটাই পরিষ্কার দাম, আর কোনো লুকোনো হিসাব নেই।

আপনার রেস্তোরাঁয় কটা টেবিল আছে, দাম শুধু তার ওপর নির্ভর করে। ছোটো জায়গার জন্য আপনাকে ছোটো জায়গার মতোই খরচ দিতে হবে।

20 টেবিল পর্যন্ত

₹7,000/ বছর

মাসে দিলে ₹799

বছরে দিলে দিনে প্রায় ₹19

20 টেবিলের বেশি

₹12,000/ বছর

মাসে দিলে ₹1,200

বছরে দিলে দিনে প্রায় ₹33

  • সব ট্যাক্স ধরা আছে
  • কোনো অর্ডারে কমিশন নেই
  • প্রথম মাস ফ্রি, কোনো সেটআপ ফি নেই
  • কাস্টমারদের জন্য QR অর্ডারিং
  • কিচেন স্ক্রিন আর প্রিন্টেড স্লিপ
  • আনলিমিটেড ওয়েটার আর স্টাফ
  • GST বিল আর প্রতিদিনের রিপোর্ট
  • বাংলায় ফোন সাপোর্ট
  • স্টক, রেসিপি আর ফুড কস্ট
  • বার বা হোটেলের যা যা লাগে, সবই এর মধ্যে

দুটো বাড়তি জিনিস যা আপনি চাইলে নিতে পারেন। এগুলোর দাম বছরে নয়, শুধু একবার দিতে হয়।

একবারের খরচ

আপনার খাবারের ছবি

মেনুতে কটা ডিশ আছে, দাম শুধু তার ওপর নির্ভর করে। হাফ আর ফুল প্লেটকে একটাই ডিশ ধরা হয়। প্রতিটা ডিশের জন্য একটা করে ছবি পাবেন।

150 ডিশ পর্যন্ত
₹500
151 থেকে 300 ডিশ
₹1,000
301 ডিশ এবং তার বেশি
₹1,500
একবারের খরচ

অন্য ভাষায় আপনার মেনু

ডিশ হিসেবে নয়, পুরো মেনুর জন্য ভাষা পিছু ₹500 খরচ। কাস্টমার স্ক্রিনে নিজের পছন্দের ভাষা বেছে নিতে পারবেন। পরে নতুন ডিশ যোগ করলে তার অনুবাদ ফ্রিতে হয়ে যাবে।

বাংলা, পুরো মেনু
₹500
হিন্দি, পুরো মেনু
₹500

আপনার প্রিন্টেড মেনু অ্যাপে তুলে দেওয়ার কাজটা আমরাই ফ্রিতে করে দিই। কাজ শুরু করার জন্য এই দুটো বাড়তি জিনিসের কোনো দরকার নেই।

40 টেবিলের বেশি হলে আমাদের ফোন করুন। সাধারণত এর চেয়ে ভালো দামেই কাজ হয়ে যায়।

পরিষ্কার কথা

আমার কাস্টমাররা অত মোবাইল বোঝে না।
ওদের কিছু ইনস্টল করতে হবে না, লগ-ইনও করতে হবে না। ফোন থেকে স্ক্যান করলেই মেনু খুলে যাবে আর ওখান থেকেই অর্ডার করা যাবে। কেউ যদি সেটা না চায়, সে আগের মতোই ওয়েটারকে অর্ডার দেবে আর ওয়েটার নিজের ফোনে সেটা নিয়ে নেবে। দুটোই গিয়ে এক জায়গায় জমা হবে।
আমার কিচেনে তো কোনো স্ক্রিন নেই।
তাহলে প্রিন্ট হবে। আপনি অর্ডার নেওয়ার সাথে সাথে আপনার wifi বা Bluetooth দিয়ে থার্মাল প্রিন্টারে নিজে থেকে টিকিট বেরিয়ে আসবে। রান্নার লোক এখনকার মতোই কাগজ দেখে কাজ করবে। স্ক্রিন লাগানোটা আপনার ইচ্ছে, ওটা থাকতেই হবে এমন কোনো কথা নেই।
আমার শুধু রেস্তোরাঁ নয়, বার বা হোটেলও আছে।
দুটো ব্যবস্থাই এতে আগে থেকে করা আছে। বারে পেগ বা গোটা বোতল বিক্রি করা, ড্রিঙ্কসের আলাদা প্রিন্টারে প্রিন্ট হওয়া আর খাবারের বিলের সাথেই মদের আলাদা রেটে বিল হওয়া—সবই হবে। হোটেলের ক্ষেত্রে একই স্ক্রিনে টেবিল আর রুম দুটোই দেখা যাবে, চেক-ইন বা রুম সার্ভিসের বিল এক জায়গাতেই হবে। আপনার হোটেলের পুরোনো সিস্টেমেও এই হিসেব চলবে। বার আর হোটেল একসঙ্গে থাকলেও আপনার অ্যাকাউন্ট একটাই থাকবে।
কাজের মাঝে ইন্টারনেট চলে গেলে কী হবে।
কিচেনের স্ক্রিন তখনো কাজ করবে আর লাইন এলে আবার আপডেট হয়ে যাবে। পুরোনো অর্ডারগুলো ঠিক থাকবে, কোনো খাবার দুবার যাবে না। আপনার ওখানে যদি নেটের খুব সমস্যা থাকে, তবে নেওয়ার আগেই আমাদের বলুন। রোজ রাতে আপনাকে ভোগানোর চেয়ে আমরা বরং সত্যি কথাটা আগে বলে দেব।
রোজ রাতে কি আমাকে হাতে করে স্টক মেলাতে হবে।
না, আর আপনার এই জিনিসটা ব্যবহার না করলেও চলবে। এটা শুধু একটা বোতাম, অনেক রেস্তোরাঁ এটা ছাড়াই চলে। আপনি যদি এটা চালু করেন, তবে মেনু দেখেই সব লিস্ট তৈরি হয়ে যাবে, কিছু টাইপ করতে হবে না। আপনি শুধু একটা বোতাম চেপে মুখে বলবেন, "চিকেন, সাড়ে ছয় কিলো"। বাংলা, হিন্দি বা ইংরেজি যা খুশি বলতে পারেন।
এর খরচ কত।
20 টেবিল পর্যন্ত বছরে ₹7,000 বা মাসে ₹799। 20 টেবিলের বেশি হলে বছরে ₹12,000 বা মাসে ₹1,200। এর ভেতরে সব ট্যাক্স ধরা আছে, কোনো সেটআপ চার্জ বা অর্ডারের ওপর কমিশন নেই, আর প্রথম মাস ফ্রি।
আমি এটা ছেড়ে দিলে আমার ডেটার কী হবে।
ওটা আপনারই থাকবে। আপনি চাইলেই আমরা আপনার মেনু, বিল, দিনের হিসেব সবকিছু এমনভাবে দিয়ে দেব যেটা আপনি খুলতে পারবেন। আপনাকে আটকে রাখার জন্য আমরা আপনার পুরোনো হিসেব আটকে রাখব না, আর সেটা কখনো বিক্রিও করব না।
আপনাদের AI আমার রেস্তোরাঁর হিসেব নিয়ে ঠিক কী করে।
এটা শুধু জিনিসগুলো পড়ে যাতে আপনাকে টাইপ না করতে হয়—যেমন আপনার ছাপানো মেনু, সাপ্লায়ারের বিল বা আপনার মুখে বলা স্টকের হিসেব। এগুলো সে আপনাকে শুধু একটা প্রস্তাব হিসেবে দেখাবে, আপনি চাইলে সেটা নেবেন বা বাতিল করে দেবেন। আপনার রেস্তোরাঁর সিস্টেমে একা একা কিছুই লেখা হবে না। আমরা আপনার কোনো তথ্য বিক্রি করি না বা আমাদের নিজেদের কোনো কাজে লাগাই না।
এটা চালু করতে কত দিন সময় লাগে।
আপনার কাগজের মেনুটা আনলেই আমরা সেটা সিস্টেমে তুলে নেব। অ্যাপ থেকে প্রতি টেবিলের জন্য একটা করে কার্ড প্রিন্ট করে টেবিলে রাখলেই আপনার কাজ শুরু। এর কোড কখনো বদলায় না, তাই আজকের প্রিন্ট করা কার্ড পরের বছরও চলবে।

আপনার যা যা লাগবে

  • আপনার কাছে আগে থেকেই থাকা একটা Android ফোন
  • সেই ফোনে wifi বা মোবাইল ডেটা
  • আপনার কাগজের মেনু যাতে আমরা সেটা সিস্টেমে নিতে পারি
  • আপনার ওয়েটারদের ফোন নম্বর

আপনার যা যা লাগবে না

  • কাউন্টারে কোনো ডেস্কটপ কম্পিউটার
  • এসব বসানোর জন্য কোনো UPS, SSD বা টেকনিশিয়ান
  • কেনা বা ভাড়ায় নেওয়া কোনো বিলিং মেশিন
  • ওয়েটারদের জন্য আলাদা ট্যাবলেট—ওরা নিজেদের ফোনই ব্যবহার করবে

Table 4

Scan for the menu — order from your seat

TablID

এই কার্ড বসানোই আপনার পুরো ইনস্টলেশন। দেওয়ালে কিছু লাগাতে হবে না, চার্জ দিতে হবে না, আর মেনু বদলালে কার্ড বদলানোরও দরকার নেই।

এক মাস চালিয়ে দেখুন, শুরুতে এক পয়সাও লাগবে না

আপনার মেনু সিস্টেমে তুলে দেওয়া আর টেবিলের কার্ড প্রিন্ট করার দায়িত্ব আমাদের। একদিন রাতের ডিনার সার্ভিসে আমরা আপনার ফ্লোরে বসে থাকব। যদি দেখেন কাজ সামলাতে কোনো সুবিধা হচ্ছে না, আপনাকে কোনো টাকা দিতে হবে না, আপনি আগের মতোই কাগজের প্যাডে কাজ চালাবেন।

15 মিনিটের ডেমো বুক করুন

আমরা এখন আমাদের প্রথম রেস্তোরাঁগুলোতে সিস্টেম বসাচ্ছি।

বা আপনার নাম্বার দিয়ে রাখুন, আমরাই ফোন করে নেব।